1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
টেস্ট ক্রিকেটে ডিউক বল নিয়ে কেন এত বিতর্ক? - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

টেস্ট ক্রিকেটে ডিউক বল নিয়ে কেন এত বিতর্ক?

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৫ বার পঠিত
টেস্ট ক্রিকেটে ডিউক বল নিয়ে কেন এত বিতর্ক?

বলের আকার হারালেই মাঠে শুরু হয় সত্যিকারের নাটক!
অনলাইন ডেস্ক

ভারত-ইংল্যান্ডের চলমান টেস্ট সিরিজে পারফরম্যান্স নয়, এবার সবচেয়ে বড় হেডলাইন হয়ে উঠেছে ডিউকস বল বিতর্ক। মাঠে বলের আকৃতি ও গুণগত মান নিয়ে এমন উত্তাপ আগে দেখা যায়নি। সিরিজে দুই দলের ক্রিকেটাররাই অভিযোগ করছেন— বল ম্যাচের মাঝপথেই নরম হয়ে যাচ্ছে, সিমের ধার হারাচ্ছে এবং আকার বিকৃত হচ্ছে।

গতকাল (১১ জুলাই) তো বল নিয়ে রীতিমতো উত্তেজনায় ফেটে পড়লেন ভারতের অধিনায়ক শুভমান গিল। আম্পায়ার শরফদৌল্লার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে যান তিনি। বল হাতে তুলে দেখিয়ে দেন সমস্যার জায়গা।

টেস্টের মতো লম্বা ফরম্যাটে বল মানেই ধারাবাহিকতা, কিন্তু এবার সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে পড়েছে। মাত্র কয়েক ওভার পরই বল হারাচ্ছে তার ধার ও সিম, যা বোলারদের জন্য রীতিমতো দুঃস্বপ্ন। আম্পায়াররা ‘গেজ টেস্ট’ বা রিং দিয়ে বল যাচাই করছেন বারবার। ম্যাচে দুইবার এমন হয়েছে, যখন মাত্র ৫০ ওভারের আগেই বল পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

গিল স্পষ্টই বলেছেন, “এই অবস্থা সত্যিই লজ্জাজনক। পিচ নয়, বলই বড় সমস্যা। নরম বল হলে কেবল বোলার নয়, ব্যাটাররাও বিভ্রান্ত হয়।”

ইংলিশ অধিনায়ক বেন স্টোকসও একমত, “আমরা প্রায়ই এমন পরিস্থিতিতে পড়ি। বলের পরিবর্তনের ফলে ম্যাচের মোড় দ্রুত ঘুরে যায়।”

ভারতের সহ-অধিনায়ক ঋষভ পান্ত যোগ করেন, “এই সিরিজে যেন প্রতিটা বল আলাদা চরিত্র নিচ্ছে! একবার নরম, পরেরবার আচমকা সিমি সুইং—ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো বিভীষিকা।”

ডিউকস বল প্রস্তুতকারী দিলীপ জাগজোদিয়ার অবশ্য অন্য সুর। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “এই বল কোনো লোহার গোলা নয়। প্রযুক্তি, ব্যাটের ক্ষমতা ও প্লেয়ারদের শক্তিমত্তা বলের ক্ষয় দ্রুত করে। এটা স্বাভাবিক। তবে চাইলে ৬০ ওভারে নতুন বল নেয়ার নিয়ম আনা যেতে পারে।”

খেলোয়াড়দের অভিযোগের বিপরীতে প্রস্তুতকারকের যুক্তি বিতর্কের মাত্রা বাড়িয়েছে। একদিকে ম্যাচের গতি থেমে যাচ্ছে বারবার, অন্যদিকে বদলে যাচ্ছে মোমেন্টাম। সেই সঙ্গে দর্শকেরাও হচ্ছেন হতাশ।

গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে, এই বল বিতর্ক কেবল টেস্ট ম্যাচ নয়, ক্রিকেটের শৃঙ্খলা ও মান বজায় রাখার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। খেলার মধ্যেই নাটকীয়তাকে জিইয়ে রাখা এই ঘটনাই এখন ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..